Effective Data Communication

Effective Data Communication

Author: Khandakar Jahidul Islam


                   ডাটা কমিনিকেশনের সাথে Fundamental বা অতি প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় জরিত, এই অতি প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো হলঃ Delivery , Accuracy , Timeliness and Jitter.

Delivery: প্রেরণকৃত ডাটা তার কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌছাঁতে পারল কি না।

Accuracy: যে ডাটা প্রেরণ করা হল, সেটা অবিকৃত অবস্থায় তার গন্তব্যে যেতে পারল কি না, মানে গ্রহণকৃত ডাটা হুবুহু প্রেরণকৃত ডাটা কি না।

Timeliness: ডাটা আদান প্রদান কি একটি যোক্তিক সময়ের মাঝে হল কি না। এখানে যোক্তিক সময় বলতে কম সময়ের মাঝে নির্ভুলতা মেইন্টেইন করা বুঝানো হচ্ছে।

Jitter: ডাটা আদান প্রদানের সময় একটা নিদৃষ্ট পাকেট অনুসারে আদান প্রদান করা হয়। মানে, অনেক বড় একটা ডাটাকে একেবারে না পাঠিয়ে একটা নিদৃষ্ট আকারে ভাগ করা হয়, প্রতিটি ভাগ নিদৃষ্ট সময় অন্তর অন্তর গন্তব্যে পাঠানো হয়। প্রতিটি ভাগ কে পাকেট বলা হয়, আর এই পাকেট গুলি পাঠানোর মদ্ধবর্তি সময় খুবই কম হয়, যার ফলে গন্তব্যে পুরো ডাটা খুউব কম সময়ের মাঝে পৌঁছে যায়, একেই jitter বলা হয় ।

যদি jitter uneven বা অমসৃণ হয়, মানে পাকেট গুলি পাঠানোর মদ্ধবর্তি সময় যদি ঠিক না থাকে, একেক সময় একেক রকম হয় , তাহলে প্রেরণকৃত ডাটার timeliness নষ্ট হয়ে যায়, এমন কি ডাটা গন্তব্যে পৌঁছে ভুল ভাবে উপস্থাপিত হতে পারে ।

উপরে আলোচিত বৈশিষ্ট বা characterstics গুলি ডাটা কমিউনিকেশনের Effectiveness নিশ্চিত করে। অর্থাৎ , ডাটা আদান প্রদান কতটুকু
কার্যকর হয়েছে তা প্রকাশ করে।




Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *